"যে
মানুষটার স্বামী মারা যাবার পর থেকে বিয়ে না করে মেয়ের কথা চিন্তা করে
জীবন পার করলো,আজ সেই মেয়ে বড় হয়ে তাকে বৃদ্ধা আশ্রমে রেখে আসলো।এই হলো
আজকালকার সন্তান।চাকরি করে বেশি বেশি টাকা কামাবে আর নিজে খাবে।"
অফিসে যাওয়ার পথে কথাগুলো কানে বাজলো ইয়ানার।পাশে তাকিয়ে দেখলো পারার কিছু মহিলারা একসাথে তাকে নিয়ে এগুলো বলাবলি করছে।মিষ্টি একটি হাসি দিয়ে ইয়ানা তাদেরকে বলে,"আমার মাকে নিয়ে আপনাদের এত চিন্তা আণ্টি!একটা কাজ করলে হয় আশ্রম থেকে মাকে ডিরেক্ট আপনাদের বাসায় নিয়ে আসি।আপনারা সেবা করবেন তাকে।"
ইয়ানার এমন কথার জবাবে তারা কিছুই বলে না।শুধু মুখ কালো করে রাখে।ইয়ানা তাদের কথার অপেক্ষাতে থাকে না।চলে আসে সেখান থেকে।
অফিসে যাওয়ার জন্য বাসে উঠেছে ইয়ানা।ঠিক সেই সময় ইয়ানার মামা কল দিয়েছে।মামার কল দেখে হালকা হেসে কল ধরে।ওপাশ থেকে ক্ষিপ্ত সুরে মামা বলে,"আমার বোনকে তুই বৃদ্ধা আশ্রমে রেখেছিস?কত বড় সাহস তোর?"
এবারেও সোজা উত্তর দিলো ইয়ানা,"তুমি বুঝি বোনকে খুব ভালোবাসো মামা।তাহলে বিছানায় পরে থাকা তোমার বোনটিকে সেবা করার জন্য রেডি থাকতে বলো তোমার বউকে।আমি নাহয় আশ্রম থেকে নিয়ে তোমার ওখানে রাখছি।"
ইয়ানার সোজা উত্তরে থতমত খেলেন ভদ্রলোক।কিছু না বলেই কল কেটে দিলেন তিনি।
হোয়াটসঅ্যাপ এ বোনের একটি ভয়েস এসএমএস এসেছে।ওপেন করলো ভয়েস তাতে বলা আছে,"লোকজন তো কটু কথা শুনাচ্ছে।তুই কি মাকে বৃদ্ধা আশ্রমে রাখার আগে আমার থেকে পারমিশন নিয়েছিস?এলাকার গুরুজনেরা ছি ছি করছে আমাকে আমাকে নিয়ে।শশুর বাড়িতে চলে এসেছে এসব কথা।মান সম্মান তো আর রাখলি না। লোকে বলছে মায়ের বয়স হয়ে গেছে তাই সে এখন বোঝা।একদম ঠিক করিসনি তুই।"
বোনের দেওয়া ভয়েস শুনেও হালকা হেসে ইয়ানা ভয়েস পাঠিয়ে বলে,"মা ভক্ত বোন আমার।মাকে কত ভালোবাসিস তুই!একটা কাজ কর মাকে তোদের বাসায় নিয়ে যা।তার থেকেও ভালো হয় তোর বর সহ মাকে সেবা করতে আমাদের বাসায় আয়।"
আর কোনো রিপ্লাই এলো না সিন করেছে দেখা যাচ্ছে।
বাসের জানালা দিয়ে বাইরের পরিবেশ দেখছে ইয়ানা। ইয়ানার বাবা মারা গেছে যখন সে ছোট ছিলো। ইয়ানার মা কষ্ট করে মেয়েদের বড় করেছে।ইয়ানারা দুই বোন। বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেছে তিন বছর। ইয়ানা এখন ছাব্বিশ বছরে পা দেওয়া অবিবাহিত এক নারী। ইয়ানার বাবা মারা যাওয়ার পর দিনগুলো কিভাবে চলছে তা দেখতে ইয়ানার মামা একবারের জন্যেও দেখতে আসেনি। ইয়ানার মায়ের ব্যাংকে জমানো কিছু টাকা ছিলো। সেই টাকা দিয়ে কাপড়ের ব্যাবসা শুরু করে।প্রথম দিকে লস খায় কিন্তু পরে আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যায়। ব্যাবসায় উন্নত হওয়ার পর থেকে ইয়ানা দেখেছিলো তার কাছের লোকদের।তার মামা মামী নানু সবাই যেনো মা মা করে হাত পেতে সব নিতো।
ইয়ানার মা প্যারালাইজড হয়েছেন আজ একটি বছর।বিছানার সঙ্গী তিনি।টয়লেট করে নোংরা করে ফেলে বিছানা। ইয়ানা সবকিছু পরিষ্কার করতো।মা অসুস্থ হওয়ার সময় অনেকে আসতো বাসায়।কিন্তু কয়েক মাস যেতে না যেতেই সবাই আসা বন্ধ করে দেয়।বাড়ি দুর্গন্ধ হওয়ার পর কেউ একটু এসে সাহায্য করে না।সব স্বার্থ ফুরিয়ে আসে। ইয়ানার বড় বোনের বিয়ে হয়েছে ইয়ানাদের বাসার পাশের গল্লিতে।এই কাছে মা থাকতেও মায়ের খোঁজ নেওয়ার জন্য একবারো আসেনি।অজুহাতের পরিমাণ যেনো বেড়েই গেলো।কোনমতে অনার্স পরীক্ষা দিয়েছিলো ইয়ানা।যে চারটি ঘণ্টা পরীক্ষা দিতো মাকে তালা মেরে রেখে আসতে হতো।বাসায় আসার পর দেখতো মা একা একা কান্না করছে।বোনকে অনেক বলেছে কিন্তু বোন তখন সংসারের অজুহাত দেখায়।মামাকে বলেছিলো আসতে কাজের প্রেসার দেখায়।প্রতিবেশীদের বলেছিলো কয়েক মিনিটের জন্য থাকতে নিজের ঘর ফাঁকা বলে এড়িয়ে যায়।
এইতো দুইমাস হলো চাকরি পেয়েছে ইয়ানা। বাসে করে যেতে হয়।মিরপুর বাসা থেকে গাজীপুরে যাওয়া আসাতে অনেক কষ্ট হয় তার।তারপরও মাকে দেখাশোনা আর নিজের চলাফেরার জন্য চাকরি করা দরকার।বাসায় এক কাজের বুয়া রাখা হয়।বেশি কিছু না তার মায়ের দুপুরের খাবার খাইয়ে দিতে হবে। সকালে ইয়ানা খাইয়ে দিয়ে যেতো।রাতে এসে ইয়ানা খাইয়ে দিতো।
এভাবেই ভালো চলছিলো দিন।কিন্তু কাজের বুয়ার যেনো মন টেকে না এই বাড়িতে।এতগুলো টাকা পায় তাও থাকতে চায় না সে এখানে।তার ভাষ্যমতে,"আমি দরকার হয় তিন চার বাড়ি কাজ করে এত টাকা কামানোর চেষ্টা করবো।কিন্তু এখানে এসব গন্ধ নিয়ে সারাদিন পরে থাকতে পারবো না।"
অভিযোগ শুনেও ইয়ানা অনুরোধ করে রাখে তাকে।কিন্তু এই ঘটনার ঠিক তিন দিন পর কাজের বুয়া পালিয়ে যায়।সাথে নিয়ে যায় ইয়ানার মায়ের গলার চেইন। ইয়ানা যেনো এবার নিঃস্ব হয়ে গেছে।কি করবে সে চাকরি না করলে দিন চলবে না।আবার মাকে একা রেখে কোথাও যেতেও পারবে না।এদিকে কেউ কাজ করতে চায় না তাদের বাসায় কারণ একজন নাকি পালিয়েছে।
না পেরে ইয়ানার মা বলে,"আমাকে তুই বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আয় মা।"
মায়ের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে ইয়ানা।মা তার বুঝতে পেরেছে এই অবহেলার দুনিয়ায় তাদের দেখার কেউ নেই।বাধ্য হয়ে সে মাকে রেখে আসে আশ্রমে।ওখানে অন্তত গল্প করার সঙ্গী পাবে।তার সেবা করার কর্মী হবে।মাসে মাসে ইয়ানা টাকা পাঠাবে সেখানে।পুরো একটি বছর মাকে সেবা করেছে নিজের এই হাতে।মায়ের নোংরা করা বিছানার চাদর ও মেকছি রাতের শীতে পরিষ্কার করতে হয়েছে এই দুই হাত দিয়ে।মায়ের জন্য রান্না করে খাইয়ে দিয়েছে এই দুই হাত দিয়ে।রাতের ঘুম ছাড়া বিশ্রামের সময় টুকু পায়নি ইয়ানা।কিন্তু আজ সেই ইয়ানা কি না দুনিয়ার কাছে স্বার্থপর।ভেবেই চোখের পানি ফেলতে থাকে ইয়ানা।আজ সে তার মাকে বৃদ্ধা আশ্রমে রেখে এসে প্রকাশ্যে দম ফেললেও নিরবে অশ্রু বিসর্জন দিচ্ছে।কিন্তু যারা প্রকাশ্যে তাকে কটু কথা শুনাচ্ছে তারা কি একবারও মায়ের জন্য এসে একটি দিনের জন্যও মাকে সেবা করেছে?কোনো দায়িত্ব তো তারা পালন করেনি।বরং কথা শুনিয়েছিলো। আর আজ সমাজ কি বললো এটা নিয়ে ভাবছে।
অফিসে যাওয়ার পথে কথাগুলো কানে বাজলো ইয়ানার।পাশে তাকিয়ে দেখলো পারার কিছু মহিলারা একসাথে তাকে নিয়ে এগুলো বলাবলি করছে।মিষ্টি একটি হাসি দিয়ে ইয়ানা তাদেরকে বলে,"আমার মাকে নিয়ে আপনাদের এত চিন্তা আণ্টি!একটা কাজ করলে হয় আশ্রম থেকে মাকে ডিরেক্ট আপনাদের বাসায় নিয়ে আসি।আপনারা সেবা করবেন তাকে।"
ইয়ানার এমন কথার জবাবে তারা কিছুই বলে না।শুধু মুখ কালো করে রাখে।ইয়ানা তাদের কথার অপেক্ষাতে থাকে না।চলে আসে সেখান থেকে।
অফিসে যাওয়ার জন্য বাসে উঠেছে ইয়ানা।ঠিক সেই সময় ইয়ানার মামা কল দিয়েছে।মামার কল দেখে হালকা হেসে কল ধরে।ওপাশ থেকে ক্ষিপ্ত সুরে মামা বলে,"আমার বোনকে তুই বৃদ্ধা আশ্রমে রেখেছিস?কত বড় সাহস তোর?"
এবারেও সোজা উত্তর দিলো ইয়ানা,"তুমি বুঝি বোনকে খুব ভালোবাসো মামা।তাহলে বিছানায় পরে থাকা তোমার বোনটিকে সেবা করার জন্য রেডি থাকতে বলো তোমার বউকে।আমি নাহয় আশ্রম থেকে নিয়ে তোমার ওখানে রাখছি।"
ইয়ানার সোজা উত্তরে থতমত খেলেন ভদ্রলোক।কিছু না বলেই কল কেটে দিলেন তিনি।
হোয়াটসঅ্যাপ এ বোনের একটি ভয়েস এসএমএস এসেছে।ওপেন করলো ভয়েস তাতে বলা আছে,"লোকজন তো কটু কথা শুনাচ্ছে।তুই কি মাকে বৃদ্ধা আশ্রমে রাখার আগে আমার থেকে পারমিশন নিয়েছিস?এলাকার গুরুজনেরা ছি ছি করছে আমাকে আমাকে নিয়ে।শশুর বাড়িতে চলে এসেছে এসব কথা।মান সম্মান তো আর রাখলি না। লোকে বলছে মায়ের বয়স হয়ে গেছে তাই সে এখন বোঝা।একদম ঠিক করিসনি তুই।"
বোনের দেওয়া ভয়েস শুনেও হালকা হেসে ইয়ানা ভয়েস পাঠিয়ে বলে,"মা ভক্ত বোন আমার।মাকে কত ভালোবাসিস তুই!একটা কাজ কর মাকে তোদের বাসায় নিয়ে যা।তার থেকেও ভালো হয় তোর বর সহ মাকে সেবা করতে আমাদের বাসায় আয়।"
আর কোনো রিপ্লাই এলো না সিন করেছে দেখা যাচ্ছে।
বাসের জানালা দিয়ে বাইরের পরিবেশ দেখছে ইয়ানা। ইয়ানার বাবা মারা গেছে যখন সে ছোট ছিলো। ইয়ানার মা কষ্ট করে মেয়েদের বড় করেছে।ইয়ানারা দুই বোন। বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেছে তিন বছর। ইয়ানা এখন ছাব্বিশ বছরে পা দেওয়া অবিবাহিত এক নারী। ইয়ানার বাবা মারা যাওয়ার পর দিনগুলো কিভাবে চলছে তা দেখতে ইয়ানার মামা একবারের জন্যেও দেখতে আসেনি। ইয়ানার মায়ের ব্যাংকে জমানো কিছু টাকা ছিলো। সেই টাকা দিয়ে কাপড়ের ব্যাবসা শুরু করে।প্রথম দিকে লস খায় কিন্তু পরে আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যায়। ব্যাবসায় উন্নত হওয়ার পর থেকে ইয়ানা দেখেছিলো তার কাছের লোকদের।তার মামা মামী নানু সবাই যেনো মা মা করে হাত পেতে সব নিতো।
ইয়ানার মা প্যারালাইজড হয়েছেন আজ একটি বছর।বিছানার সঙ্গী তিনি।টয়লেট করে নোংরা করে ফেলে বিছানা। ইয়ানা সবকিছু পরিষ্কার করতো।মা অসুস্থ হওয়ার সময় অনেকে আসতো বাসায়।কিন্তু কয়েক মাস যেতে না যেতেই সবাই আসা বন্ধ করে দেয়।বাড়ি দুর্গন্ধ হওয়ার পর কেউ একটু এসে সাহায্য করে না।সব স্বার্থ ফুরিয়ে আসে। ইয়ানার বড় বোনের বিয়ে হয়েছে ইয়ানাদের বাসার পাশের গল্লিতে।এই কাছে মা থাকতেও মায়ের খোঁজ নেওয়ার জন্য একবারো আসেনি।অজুহাতের পরিমাণ যেনো বেড়েই গেলো।কোনমতে অনার্স পরীক্ষা দিয়েছিলো ইয়ানা।যে চারটি ঘণ্টা পরীক্ষা দিতো মাকে তালা মেরে রেখে আসতে হতো।বাসায় আসার পর দেখতো মা একা একা কান্না করছে।বোনকে অনেক বলেছে কিন্তু বোন তখন সংসারের অজুহাত দেখায়।মামাকে বলেছিলো আসতে কাজের প্রেসার দেখায়।প্রতিবেশীদের বলেছিলো কয়েক মিনিটের জন্য থাকতে নিজের ঘর ফাঁকা বলে এড়িয়ে যায়।
এইতো দুইমাস হলো চাকরি পেয়েছে ইয়ানা। বাসে করে যেতে হয়।মিরপুর বাসা থেকে গাজীপুরে যাওয়া আসাতে অনেক কষ্ট হয় তার।তারপরও মাকে দেখাশোনা আর নিজের চলাফেরার জন্য চাকরি করা দরকার।বাসায় এক কাজের বুয়া রাখা হয়।বেশি কিছু না তার মায়ের দুপুরের খাবার খাইয়ে দিতে হবে। সকালে ইয়ানা খাইয়ে দিয়ে যেতো।রাতে এসে ইয়ানা খাইয়ে দিতো।
এভাবেই ভালো চলছিলো দিন।কিন্তু কাজের বুয়ার যেনো মন টেকে না এই বাড়িতে।এতগুলো টাকা পায় তাও থাকতে চায় না সে এখানে।তার ভাষ্যমতে,"আমি দরকার হয় তিন চার বাড়ি কাজ করে এত টাকা কামানোর চেষ্টা করবো।কিন্তু এখানে এসব গন্ধ নিয়ে সারাদিন পরে থাকতে পারবো না।"
অভিযোগ শুনেও ইয়ানা অনুরোধ করে রাখে তাকে।কিন্তু এই ঘটনার ঠিক তিন দিন পর কাজের বুয়া পালিয়ে যায়।সাথে নিয়ে যায় ইয়ানার মায়ের গলার চেইন। ইয়ানা যেনো এবার নিঃস্ব হয়ে গেছে।কি করবে সে চাকরি না করলে দিন চলবে না।আবার মাকে একা রেখে কোথাও যেতেও পারবে না।এদিকে কেউ কাজ করতে চায় না তাদের বাসায় কারণ একজন নাকি পালিয়েছে।
না পেরে ইয়ানার মা বলে,"আমাকে তুই বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আয় মা।"
মায়ের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে ইয়ানা।মা তার বুঝতে পেরেছে এই অবহেলার দুনিয়ায় তাদের দেখার কেউ নেই।বাধ্য হয়ে সে মাকে রেখে আসে আশ্রমে।ওখানে অন্তত গল্প করার সঙ্গী পাবে।তার সেবা করার কর্মী হবে।মাসে মাসে ইয়ানা টাকা পাঠাবে সেখানে।পুরো একটি বছর মাকে সেবা করেছে নিজের এই হাতে।মায়ের নোংরা করা বিছানার চাদর ও মেকছি রাতের শীতে পরিষ্কার করতে হয়েছে এই দুই হাত দিয়ে।মায়ের জন্য রান্না করে খাইয়ে দিয়েছে এই দুই হাত দিয়ে।রাতের ঘুম ছাড়া বিশ্রামের সময় টুকু পায়নি ইয়ানা।কিন্তু আজ সেই ইয়ানা কি না দুনিয়ার কাছে স্বার্থপর।ভেবেই চোখের পানি ফেলতে থাকে ইয়ানা।আজ সে তার মাকে বৃদ্ধা আশ্রমে রেখে এসে প্রকাশ্যে দম ফেললেও নিরবে অশ্রু বিসর্জন দিচ্ছে।কিন্তু যারা প্রকাশ্যে তাকে কটু কথা শুনাচ্ছে তারা কি একবারও মায়ের জন্য এসে একটি দিনের জন্যও মাকে সেবা করেছে?কোনো দায়িত্ব তো তারা পালন করেনি।বরং কথা শুনিয়েছিলো। আর আজ সমাজ কি বললো এটা নিয়ে ভাবছে।
''কেউ_বুঝেনা_মনের_যন্ত্রণা''😞

0 Comments