কাপড় পরতে পরতে রুপা বললো স্যার আমার কাজটা হয়ে জাবে তো এবার তাই না? আমিতো এবার টাকাটা পেয়ে যাব স্যার তাই না? আমার স্বামীকে এবার সারিয়ে তুলতে পারবোতো স্যার?
আমি আবারো কুনজরে রুপার বুকের দিকে তাকালাম। আমার খারাপ নজরে তাকানো দেখে রুপা তার জামাটা এবার পরে নিল।
আমি মুচকি হেসে বল্লাম
-- হা টাকা তো তুমি পাবেই। তোমার স্বামী আমাদের জন্য পুলিশের গুলি খেয়ে এখনো হসপিটালে আছে। আর তোমার কাজটা আমি করবো না তাই কি কখনো হয়।☺
-- স্যার তাহলে আমি কবে টাকা টা পাবো?
আমি আবারো তার শরীরের দিকে তাকিয়ে বললাম।
-- পাবেতো,,,,, তবে তার জন্য যে তোমাকে আবার আমার সাথে দুই একবার দেখা করতে হবে গো রুপা।
রুপা এবার আমার চোখের দিকে তাকালো। রুপার চোখে আমি আমার প্রতি সম্পন্ন ঘৃণার ছাপ দেখতে পেলাম। রুপা এবার কোনো কথা না বলে সোফার ওপর থেকে তার ওড়না টা নিয়ে গায়ে জরিয়ে চলে যেতে লাগলো। আমি রুপাকে বল্লাম দাঁড়াও আমি আগে দেখে আসি বাহিরে কেই আছে নাকি। রুপা দাঁড়িয়ে গেলো। আর আমি একনজর বাহিরে চোখ বুলিয়ে আসলাম নাহ কেউ নেনলই।
এবার রুপাকে চলে যেতে বল্লাম ও যেতে লাগলো। আবারো রুপার দিকে তাকিয়ে দেখি ও পাজামা টা উল্টো করে পরেছে। তাই আবারো রুপাকে দার করালাম। বললাম।
-- রুপা তুমি তোমার পাজামাটা উল্টো করে পরেছো ওটা ঠিক করে পরে তারপর বের হও।
কিন্তু রুপা তা ঠিক করলো না। আমার দিকে একবার তাকিয়ে সে বেরিয়ে গেলো। আমি রুপার চোখে যেনো দেখতে পেলাম একজন অসহায় নারীকে। তার চোখে দেখতে পেলাম আমার প্রতি ঘৃণা। তার চোখে দেখতে পেলাম প্রতিশোধ এর আগুন।
রুপা বেরিয়ে যাবার পর আমি বেলকনিতে গেলাম। দেখার জন্য যে রুপা কি কাউকে কিছু বলে দেয় কি নাকি তাকে কেউ কিছু জিজ্ঞেস করে। কিন্তু নাহ ও সোজা চোলে গেলো,,,, এক সময় সে আমার চোখের আরাল হয়ে গেলো।
মেয়েটার নাম রুপা তার স্বামী একটা কাজের জন্য পুলিশের গুলি খেয়ে এখন হসপিটালে।। রুপার স্বামী আমার সাথেই কাজ করতো। তবে সে আমার থেকেও নিচু পদের।
রুপা আমার কাছে সাহায্য চাইতে আসে যাতে তার স্বামীর ভালো ভাবে চিকিৎসা হয়। আর আমার চোখ পরে রুপার শরীরে গঠনের ওপর। তারপর তাকে আমি আমার সাথে কিছুক্ষণ সময় খাটানোর প্রস্তাব দেই। প্রথমে রাজি ছিলো না পরে অভাবের তাড়নায় ঠিকই রাজি হয়ে গেলো। আর তারপর ওপরের ঘঠনা।
বসে বসে টিভি দেখছি,,,,, হঠাৎ কলিং বেল টা বেজে উঠল। গিয়ে দরজা টা খুলে দিলাম। আর কেউ নয় আমার বউ রিয়া এসেছে।
মেয়ে টাকে আজ খুব খুশি খুশি লাগছে। হাতে অনেক শপিং ব্যাগ। ডুকেই আমাকে জরিয়ে ধরলো। আমি বল্লাম,,,,,
আমি-- কি বেপার আজ আমার জান টাকে এত খুশি খুশি লাগছে,,,,,,, বেপার টা কি হুম☺
রিয়া আমাকে ছেড়ে দিয়ে ব্যাগ গুলো সোফাতে রেখে বললো।
রিয়া-- হু হু গ্রেস কর কি হতে পারে। আজ আমি ওনেক খুশি।☺
-- তা তো আমার বউ টার মুখ দেখেই বুঝতে পারছি আমার বউটা খুব খুশি। কিন্তু সোনা তুমি যদি না বল তাহলে বুঝবো কি করে।
-- জান আমার প্রমোশন হয়েছে অফিসে ( কিছুটা এক্সাইটেড হয়ে)
আমিও ওনেক খুশি হলাম আর বললাম।
-- ওয়াও জান তাই তাহলে তো ভালোই হলো।
রিয়া পাই চারি করতে করতে বলতে শুরু করলো।
-- হুম সোনা জানো,,,,,, আমি তো অনেক খুশি হয়েছি। নুসরাতও হিংসা শুরু করে দিয়েছে আমার সাথে যখন শুনলো আমার প্রমোশন হয়েছে। রফিক স্যার তো আমার কেবিনে এসে আমাকে অভিনন্দন জানিয়ে গেলেন,,,,,,,,,,,, রিয়া সমানে বলেই চলেছে তার কথা গুলো আর আমি মুচকি হেসে হেসে তার কথা গুলো শুনছি।
হঠাৎ চোখ পরলো রিয়ার পাজামার দিকে। রিয়ার পাজামার দিকে তাকিয়ে আমার হাসি মাখা মুখ নিমিষেই যেনো মলিন হয়ে গেলো। কারন
রিয়ার পাজামাটা উল্টো,,,,,, রিয়া উল্টো করে পাজামাটা পরে আছে। তখনি আমার মনে পরে গেলো রুপার কথা। সকালে রুপাকে যখন আমি,,,,,, তবে কি রিয়া তাহলে। না না এহতে পারে না। রিয়া আমার সাথে এত বড় বেইমানি করতে পারে না।
রিয়া কথা বলেই যাচ্ছে আর আমি ঘামছি। আমার ঘামা দেখে রিয়া বললো।
রিয়া-- কি হলো তুমি,,,,,,,,,,
চলবে,,,,,,,?
নেক্সট পার্ট সবার আগে পেতে আমার আইডিকে ফলো দিয়ে রাখুন।

0 Comments