..✍️


রিফাত আর সুমাইয়ার সুখের সংসার। ভালোবেসে বিয়ে করেছে তারা। ১.৫ বছর হয়েছে তাদের বিয়ের। একদিন তারা মটর বাইকে করে বেড়াতে যাচ্ছিল। কিন্তু, বাইকের স্পিড ছিল প্রায় 110 Mph. এমন সময় সুমাইয়া বলে উঠলোঃ জান আস্তে চালাও, ভয় লাগছে। কিন্তু, রিফাত স্পিড কমায় না।

সুমাইয়াঃ কতক্ষন ধরে বলছি, প্লিজ স্পিড কমাও না, আমার খুব ভয় লাগছে, প্লিজ স্পিডটা কমাও।

রিফাতঃ তাহলে, I Love You বলো..😉

সুমাইয়াঃ I Hate You..😏

রিফাতঃ হয় নাই, বলো I Love You..😊

মেয়ে : আচ্ছা, বলছি I Love You..🥰 এবারতো স্পিডটা কমাও।

রিফাতঃ এবার, আমাকে জড়িয়ে ধর..😁

সুমাইয়াঃ পারবো না..🙃

রিফাতঃ তাহলে, স্পিডও কমাবো না..😎

তখন সুমাইয়া রিফাতকে বাধ্য হয়ে জড়িয়ে ধরল এবং

বললঃ আচ্ছা ধরলাম, এবার স্পিডটা কমাও।

রিফাতঃ হেলমেটটা খুব বিরক্ত করছে, হেলমেটটা

খুলো তো। সুমাইয়া রিফাতের হেলমেট খুলে হাতে ধরে রাখল।

রিফাতঃ ওটা ধরে রেখেছ কেন..? ওটা পড়।

সুমাইয়া হেলমেটটা পড়ল। তারা দুজনে হাসিমুখে যেতে লাগল। কিন্তু, একটু পর তাদের Accident হলো। সুমাইয়ার মাথায় হেলমেট থাকায় সে প্রাণে বেঁচে গেলেও অজ্ঞান হয়ে পড়ল। কিন্তু, রিফাত সেখানেই মারা গেলো। তারপর, যখন সুমাইয়ার জ্ঞান ফিরল তখন জানতে পারল, তার ভালোবাসা মানুষটা মারা গেছে এবং বাইকের ব্রেক ফেইল হওয়ার জন্যই তাদের Accident হয়েছিল। তখন, সুমাইয়া বুঝতে পারল রিফাত হয়তো বুঝতে পেরেছিল যে বাইকের ব্রেক ফেইল হয়েছে। তাই ইচ্ছে করেই নিজের হেলমেটটা তাকে পড়িয়ে নিজের জীবনের বিনিময়ে তার জীবন বাঁচিয়েছে।


..........২ বছর পর..........

সুমাইয়া এখন বাসায় বন্ধী থাকে সবসময়। সে নিজেকে অপরাধী ভাবে রিফাতের মৃত্যুর জন্য। প্রতিদিন রিফাতের জন্য দোয়া করতে থাকে। রাতের বেলা আকাশের দিকে তাকিয়ে বলেঃ তুমি একজন বেইমান মানুষ, রিফাত। তুমি বলেছিলে বাচঁলে একসাথে বাচঁবো, আর, মরলে একসাথে মরবো। কথাতো ছিল সারাজীবন একসাথে থাকার, কিন্তু, তুমি আমায় একা করে কেন চলে গেলে..😭🥺😭


(গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক। গল্পটি কেমন হয়েছে জানাবেন আর, ভূল-এ্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন)


                   ..........সমাপ্তি..........