আমিঃ- প্লিজ আজকের মতন ছেড়ে দাও আমি তোমার দুই হাত ধরে মাফ চাচ্ছি প্লিজ আর পারছি না।


স্নেহাঃ- হুমমম ছেড়ে দিবো আর একবার সেক্স করেই ছেড়ে দিবো।


আমিঃ- একটু বুঝার চেষ্টা কর,, আমার পক্ষে আর সম্ভব না।

প্রতিদিন চার পাঁচ বার করে,,কোন ভাবেই সম্ভব না। 

আমি তো একটা মানুষ,, একটু বুঝার চেষ্টা কর।

এভাবে চলতে থাকলে আমি মরেই যাবো। 


স্নেহাঃ- তুই মরলেও আমার কিচ্ছু যায় আসে না।

আমার দরকার শারীরিক তৃপ্তি,, আর কা যতক্ষণ না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত কোন ছাড়াছাড়ি নেই।


আমিঃ- তুমি বুঝতে চেষ্টা করছো না কেনো.??

মানুষের তো একটা লিমিট থাকে নাকি.??

আর এটা তো মনের উপর নির্ভর করে না শুধু,, শক্তি শরীরের কন্ডিশন বুঝতে হবে তো।

দেখো স্নেহা এভাবে চলতে পারো না।

এক দুইদিন মেনে নেওয়া যায়,, কিন্তু রোজ রোজ না।

আমি কোন ভাবেই পারবো না আর করবোও না।


স্নেহাঃ- কি বললি তুই..?

তুই করবি না.?? 

তোর ঘাড়ে কয়টা মাথা হয়েছে যে তুই আমার মুখের উপর কথা বলিস.??

তোর ঘাড় তো মাথা থেকে আলাদা করবোই সাথে তোর পুরো পরিবার ধংস করে দিবো। 

সবাইকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিবো,, আর সেইটা আমি পারবো তা তুই ভালো করেই জানিস।


আমিঃ- তোমার যা খুশি করতে পারো কিন্তু আমার পক্ষে সম্ভব না আজকের মতন আর সেক্স করা।


(বলতে বলতেই স্নেহা রেগেমেগে আগুন হয়ে আমার উপর ঝেপে পড়লো,,দুই হাতে গলা চেপে ধরলো,, আমার ধম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে আমি কোন ভাবেই স্নেহাকে নিজের থেকে আলাদা করতে পারছি না,,শরীরের সবটুকু শক্তি প্রয়োগ করেও বিন্দু মাত্র সড়াতে পারছি না। আস্তে আস্তে আমার শরীরটা নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে। 

বুঝতে পারছি ঢলে পরছি মৃত্যুর কোলে,, স্নেহার ইদানীং কালের নির্মম শারিরীক নির্যাতনের শিকার হওয়ার চেয়ে মরে যাওয়াও অনেক ভালো বলে মনে হচ্ছে। একটা মানুষের শারিরীক সম্পর্ক স্থাপনে একটা লিমিট থাকে,, রোজ রোজ লিমিটের বাহিরে শারিরীক সম্পর্ক, কোন ভাবেই সম্ভব না। এভাবে লিমিটের বাহিরে শারিরীক সম্পর্ক করায় দিনকে দিন দূর্বল হয়ে যাচ্ছি, মস্তিষ্ক কাজ করছে না,শরিরে রোগা ভাব ভালো ভাবেই লক্ষ করছি আর তা বাকি সবার কাছেও স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে, সবাই আমাকে নিয়ে টেনশনে পড়ে গেছে, ডাক্তার দেখাচ্ছে কিন্তু তাতেও কোন ফল পাচ্ছি না।

বাড়ির সবাই আমার শরিরের এমন কঠিন অবস্থা দেখে চোখের জল ফেলে,,কান্নাকাটি করে,,কিন্তু আমি তাদের আসল সত্যি কাহিনি বা কথা গুলো না পারছি বলতে না পারছি সহ্য করতে,,একে তো লজ্জা, তারমধ্যে কিভাবে বলবো যে প্রতিরাতে আমি ধর্ষণের শিকার হচ্ছি,, তাও একটা পরীর দ্বারা..?? 

কি অবাক হচ্ছেন..?

হ্যা অবাক হওয়ার ই মতন কথা। 

স্নেহা যার কথা শুনলেন একটু আগে,,যে সেক্সুয়াল সম্পর্ক করার জন্য গলা চেপে ধরেছে সে কোন মানুষ নয় আমাদের মতন।

সে একজন পরি,,,পরী রাজ্যের পরী।

ভয়ংকর রাক্ষসী পরী।

যার মধ্যে কোন দয়া মায়া বলতে কিচ্ছু নেই, মধ্যে ভালবাসা বলতে কিচ্ছু নেই, যে শুধু চায় শারীরিক তৃপ্তি আর তা অবৈধ ভাবে, জোর পূর্বক আমার অনিচ্ছা সত্ত্বেও। 

তাও প্রতিরাতে চার পাচ বার।

এখন আপনাদের প্রশ্ন আসতে পারে পরী কিভাবে আমার কাছে আসলো আর কিভাবেই বা এসব হচ্ছে?? 

তাহলে চলে যেতে হবে তিন মাস আগে,,,


তাহলে শুনুন সেই গল্প,,, 


আমিঃ- এই মামা সদরঘাট যাবে..?


রিকসাওয়ালাঃ- হুমম যাবো,,


আমিঃ- ভাড়া কত দিতে হবে.??


রিকসাওয়ালাঃ- ১০০ টাকা মামা।


আমিঃ- কিহহহ ১০০ টাকা.?? মাথা খারাপ নাকি.?


রিকসাওয়ালাঃ- ধুররর মিয়া যা ভাড়া তাই চাইছি।

গেলে যাবেন না হলে নাই


(ওরে আল্লাহ রিকসাওয়ালার কি তেজ,,এ কোন শহরে আসলাম রে বাবা😑😑

মাথাটাই দিল বিগরিয়ে।

ও হে আপনাদের তো আমার পরিচয়টাই দেওয়া হয় নি।

আমি কৌশিক আহমেদ, বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার এলেঙ্গাতে।

ইন্টার পাশ করে শনির আখড়া একটা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছি।

আর এখানেই একটা বাসা নিয়ে একাই থাকি।

আমার খালাতো ভাই সুমিত ইন্টারে ভর্তি হবে এখানেই। 

দুইজনে একই রুমে থাকবো,, তবে ওর আসা পর্যন্ত আমাকে একাই থাকতে হবে।

আমার ছোট বেলা থেকেই কোন বন্ধু নেই তাই কারোর সাথে সঙ্গ ধরে কলেজে ভর্তি হওয়া হল না।

আর বাড়ি থেকেও কারোর সাথে মিশতে দেয় না।

এর আগে কখনো ঢাকার এদিকে আসা হয় নি।

শুনেছিলাম শহরের কুত্তারাও নাকি ডেন্জারাস হয় আর এ তো রিকসাওয়ালা,, ধমক দিয়ে কথা বলাটাই স্বাভাবিক কিন্তু আমি তো তাকে এমন কিছু বলি নি যাতে এতটা রিয়েক্ট করবে।

আজ তিন দিন হল ঢাকায় এসেছি কিন্তু রুম থেকে বের হওয়া হয় নি তাই ভাবলাম আজ বিকালটা সদরঘাটে ঘুরে আসি,, পরিচিত একজনের কাছে শুনেছিলাম আমি যেখানে থাকি সেখান থেকে রিক্সা ভাড়া নাকি ৫০ টাকা কিন্তু আমার কাছে এত বেশি চাওয়ার কারনটা কি.?? নাকি বুঝে গেছে আমি নতুন ঢাকায় আসছি আর তাই আমাকে বোকা বানিয়ে যা খুশি তাই ভাড়া নিবে.. হুহহ আমি অতটা বোকা না,,তাই অন্য রিক্সা ভাড়া করতে চলে গেলাম অন্য রিকসাওয়ালার কাছে,,

পেইজ টা ফলো করে রাখুন তাহলে পরবর্তী অংশ পোস্ট করলে আপনার কাছে নোটিফিকেশন চলে যাবে 

গল্পের ক্যানভাস কল্পনার জগতে 

আমিঃ- মামা সদরঘাট কত,,.?


২য় রিকসাওয়ালাঃ- ১০০ টাকা মামা।


কি বলে এসব,,আমার চেহারায় কি বোকা বোকা ছাপ আছে নাকি.? নাকি কপালে লেখা আছে আমি নতুন আসছি.?

না এর সাথে কথা বলে লাভ নাই,,

এভাবে একে একে ৬-৭ জন রিকসাওয়ালাকে জিগ্যেস করলাম সবাই একই ভাড়া চাচ্ছে। 

লাস্টে একজনকে ৮০ টাকা মিটিয়ে গেলাম।

কি আর করার আছে।


ঘুরাঘুরি করে আসতে আসতে সন্ধা পার হয়ে গেছে। 

আসার পথেও সেম একই অবস্থা। 

এবার আর রিকসাওয়ালাদের পিছনে না ঘুরে প্রথম জনকেই মিটিয়ে উঠে গেলাম,,এমনিতেই অপরিচিত রাস্তা তার মধ্যে রাত হয়ে আসছে,,লেট করা ঠিক হবে না।

রিক্সাং চেপে বসে আছি আর রিক্সা চলছে আপন গতিতে। 

কিছুক্ষণ যাওয়ার পর মনের ভিতর কৌতূহল জেগেছে ভাড়া তো ৫০ টাকা করে কিন্তু সবাই আমার কাছে ১০০ টাকা চাচ্ছে কেনো..?


অনেকক্ষণ প্রশ্নটা মনের ভিতর ঘোরপ্যাঁচ খাচ্ছে,, কিন্তু প্রশ্নটা করি নি,,বাসার সামনে রিক্সা থেকে নেমে ভাড়া দিতে গিয়ে মুখ ফসকে বলেই ফেললাম,,


আমিঃ- মামা,,একটা প্রশ্ন ছিল করতে পারি যদি কিছু মনে না করেন,,??


রিকসাওয়ালাঃ- জি আগ্গে মামা করুন কি জিগাবার চান,,??


আমিঃ- মামা আমি যতদুর জানি বা শুনেছি তাতে ভাড়া তো ৫০ টাকা,,কিন্তু সবাই ১০০ টাকা চাচ্ছেন কেনো।


রিকসাওয়ালা উত্তরে যা বলল তাতে আমার চোখ কপালে উঠে গেল।


রিকসাওয়ালাঃ- হুমম মামা ঠিকই তো জানেন,,


আমিঃ- তাহলে ১০০ নিবেন কেন,,এটা তো অন্যায়।


রিকসাওয়ালাঃ- অন্যায় হবে কেন মামা,,একজনের ভাড়া ৫০ টাকা কিন্তু দুই জনের ভাড়া ১০০ টাকা।

আর আপনারা তো দুইজন,,তাই ১০০ টাকা।


কিহহহহ কি বলে এসব,,পাগল নাকি..?

আমি থেকে আমর্ হয়ে গেলাম.?

না এসব পাগলের সাথে কথা বলে নিজের মাথা নষ্ট করার দরকার নাই,,তার চে উপরে চলে যাই রুমে..

কিন্তু ভাড়া যে বেশি নিচ্ছে মিথ্যা কথা বলে,, তাই না চাইতেও কথাটা বের হয়ে গেল,,


আমিঃ- মামা ধান্দা করার আরো তো অনেক সিস্টেম ছিল,, কিন্তু এরকম সিস্টেম আজ প্রথম দেখলাম।

আমি জলজ্যান্ত একজন মানুষকে দুইজন বানিয়ে ফেললেন।

তা আমি তো দেখতে পাচ্ছি না কাউকেই,, 


রিকসাওয়ালাঃ- ধুররর মামা মিথ্যা কথা বলেন কেন,,

এই যে আপনার সাথে মামি দাড়িয়ে আছে,, দুইজন একসাথে রিক্সা করে আসলেন অথচ মিথ্যা কথা বলছেন উনার সামনেই,,ছিহহহ মামা।


আমিঃ- এবার কিন্তু সত্যি সত্যি মাথা গরম যাচ্ছে। 

আপনি কই মানুষ দেখেন আর কিসের মামি

আমি বিয়ে করলাম কবে😡😡😡


রিকসাওয়ালাঃ- ধুররর মিয়া যত্তসব পাগলের কারখানা। 


বিরবির করে আরো কি যেন বলতে বলতে চলে গেল

এমন ভাব করে বললো যেন উনিই সত্যি বলেছেন আর আমিই মিথ্যা... 

আজ যে কার মুখ দেখে উঠেছিলাম সকালে,,

ধুররর কার মুখ দেখবো,,দেখলে তো নিজের মুখটাই দেখছি,,রুমে ত আমি একাই,,,

আস্তে আস্তে মন খারাপ করে রুমে চলে গেলাম।

ফ্রেশ হয়ে বিছানায় কিছুক্ষণ গড়াগড়ি করে রাতের খাবারের জন্য নিচে চলে গেলাম, খেয়ে দেয়ে রুমে এসে শুয়ে শুয়ে মোবাইল বের করে সদরঘাটে উঠা সেল্ফি গুলো দেখছি,🙄

হঠাৎ চোখ আটকে গেল একটা পিকে,,

দেখতে পেলাম...???

।।।

।।।।

।।।।।

চলবে........


পরী_দ্বারা_ধর্ষন

পর্বঃ১ম